34 C
Kolkata

ফের ঝড় বৃষ্টিতে নাজেহাল বাংলা

নিজস্ব সংবাদদাতা :: যত বর্ষায়, ততটাই গর্জায় । বুধবার বিকেল থেকে শহরের আকাশ নাগাড়ে ডাক ছেড়ে চলেছে। রাত ভর বৃষ্টি হয়েছে ঢিমে তালে কিন্তু মেঘের গর্জন ছিল দ্বিগুন। মাঝে মাঝেই বিদ্যুতের ঝলকানি, তারপরেই কখনও প্রচণ্ড জোড়ে কখনও রাগে ফুঁসে ওঠার মতো শব্দ। যা বৃহস্পতিবারও একইরকমভাবে বর্তমান। কিন্তু এই অতিরিক্ত তর্জন গর্জনের কারণ কী? হাওয়া অফিস জানাচ্ছে কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে স্কোয়াল লাইন’ বা ‘মেঘ-মালা’ তৈরি হয়েছে। আর এত মেঘের জমাটিতে মেঘে মেঘে নাগাড়ে ধাক্কা লাগছে। কেউ কাউকে জায়গা ছাড়ছে না। ফল, নাগাড়ে মেঘের গর্জন সহ বিদ্যুতের ঝলকানি। বুধবার সন্ধ্যায় ৬.২৩ মিনিটে আলিপুরে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৯৬ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ গতিতে এক মিনিটের কিছু বেশি সময় স্থায়ী ছিল কালবৈশাখী। চলতি মরসুমে এটি ষষ্ঠ কালবৈশাখী। গতির নিরিখে সর্বোচ্চ। ৬ মে আলিপুরে আছড়ে পড়া কালবৈশাখীর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৭১ কিলোমিটার। বুধবার দমদমেও ঘণ্টায় ৮৬ কিলোমিটার গতিবেগে কালবৈশাখী বয়ে যায়।কলকাতার পাশাপাশি ঝড়, ঝাপটা হয় পুরুলিয়া, বর্ধমানের মতো যে জেলাগুলিতে। এই জেলগুলি আবার আমফানের তেমন প্রভাব পড়েনি। এবার সেখানে ঝাপটা মারল কালবৈশাখী। পুরুলিয়া, বর্ধমানের আউশগ্রাম, কালনায় গাছ পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে। মন্তেশ্বরে জখম হন দু’জন। হুগলির আরামবাগে গাছ পড়ে একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন দু’জন।পাঁচিল ভেঙে হাড়োয়ার আদমপুরে এক জনের মৃত্যু হয়।গোদের ওপর বিষ ফোঁড়ার মতো মেঘভাঙা বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দর, গোসাবা, ক্যানিং, ঝড়খালি, বাসন্তী, গোসাবায়। এদিনের ঝড়বৃষ্টিতে রাজ্যের একাধিক জায়গা থেকে কয়েকজনের আহত হওয়ারও খবর মিলছে। কলকাতায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দর্জিপাড়া, খান্না মোড়ের কাছে দু’টি গাছ ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, এক ধাক্কায় শহরের পারদ নেমেছে সাত ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিকের অনেক নীচে কলকাতার তাপমাত্রা। ফলে ফের উধাও জ্যৈষ্ঠের গরম। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস , যা।স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম।

আরও পড়ুন:  GTA Election: নির্বাচনের প্রস্তুতিপর্ব
আরও পড়ুন:  Mamata Banerjee Live: 'অগ্নিপথে কাজ করার পর রাজ্যকে চাকরি দিতে হবে বলেছে': মমতা

Related posts:

Featured article