27 C
Kolkata

দুর্যোগের আগেই মাঠ থেকে পরিশ্রমের ফসল তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা

নিজস্ব সংবাদদাতা : ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’-এর প্রভাবে কলকাতা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে প্রবল ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার থেকেই যার প্রভাব শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিকে ঘূর্ণিঝড়ের চোখরাঙানি, তার সঙ্গে আবার অমাবস্যার ভরা কোটাল। আতঙ্কে প্রমাদ গুনছে গোটা সুন্দরবনবাসী। অন্যদিকে ঝাড়গ্রামেও রাস্তায় লোকজনের দেখা মিলছে না। বৃষ্টি শুরু হয়েছে নদীয়াতেও। সকাল থেকে বাঁকুড়ার আকাশেও মেঘের ঘনঘটা।

ঝিরঝিরে বৃষ্টি হচ্ছে বাঁকুড়ার সর্বত্র। ওদিকে দুর্যোগের আগেই মাঠ থেকে পরিশ্রমের ফসল তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা। এমনকি অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে রাতেও কাটা হচ্ছে ফসল। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলী, হাওড়া এবং ঝাড়গ্রামে। রবিবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলী, হাওড়া এবং ঝাড়গ্রামে আরও বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ।

আরও পড়ুন:  #MadanMitra: শুভেন্দু, দিলীপের ছবিতে মাল্যদান করলেন মদন মিত্র

সঙ্গে ঝড় বইবে বলেও পূর্বাভাস রয়েছে। একইসঙ্গে রবিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান এবং উত্তরবঙ্গের মালদা জেলাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে হালকা বৃষ্টি। সঙ্গে হাওয়ার গতিবেগও রয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি। দিঘা, মন্দারমণি-সহ পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলের এলাকায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

আরও পড়ুন:  Primary TET : অবশেষে ঘোষিত হলে টেটের দিন

তবে এখনও পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। প্রবল বেগে না হলেও হাওয়ার বেগ রয়েছে বেশি। তবে সতর্কতা হিসাবে দিঘার উপকূলে চলছে টহলদারি। পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষ— কাউকেই যেতে দেওয়া হচ্ছে না সমুদ্রের তীরে।

Featured article

%d bloggers like this: