24 C
Kolkata

South 24 Parganas: বাড়ির সেফটি ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার নর-কঙ্কাল

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাড়ির সেফটি ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হয় নর কঙ্কাল। যাকে কেন্দ্র এলাকায় চঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার জগদিশপুর এলাকার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার বাসিন্দা সঞ্জিত সরকারের বাড়িতে বুধবার থেকে সেফটি ট্যাঙ্ক পরিস্কারের কাজ চলছিল। কাজ এগোতেই রোমহস্য দৃশ্য নজরে আসলো। ট্যাঙ্কের জল বের করতেই দেখা মেলে মহিলাদের পোশাকের কয়েকটি অংশ। পরিস্কারের কাজ করছিলেন যে সমস্থ শ্রমিকরা তারা কাজ বন্ধ করে দিতে চান কিন্তু পরে বাড়ির মালিক কাজ চালিয়ে যেতে বলেন। তারপর বৃস্পতিবার ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় নর কঙ্কাল।তবে কিভাবে বাড়ীর সেপটিক ট্যাঙ্কে নর কঙ্কাল এল?

নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশকে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। উদ্ধার করা হয় কঙ্কালের মাথার খুলি ও দেহের বিভিন্ন অংশের হাড়। পুলিশ সুত্রে বর্তমানে বাড়ির “মালিক সঞ্জিত’’ সরকার পাঁচ বছর আগে বাড়িটি কেনেন, গতদিন থেকে বাড়ির সেফটিক ট্যাঙ্ক পরিস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল। ২০১৩ সালে ওই এলাকা থেকে দুটি মহিলা নিখোঁজ হয়। এদের সঙ্গে ওই উদ্ধার হওয়া কঙ্কালের কোন যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হছে।

আরও পড়ুন:  Salman Rakhi: 'সলমন ভাইকে ছেড়ে দিন' গ্যাংস্টারের কাছে হাতজোড় করে আরজি রাখির

বাড়ির মালিকের স্ত্রী পায়েল সরকার এনিয়ে জানিয়েছে, বর্ষার সময় ট্যাঙ্কে জল উঠে তাই বর্ষার আগে ট্যাঙ্কটি পরিস্কার করার কাজ চলাকালীন উদ্ধার হয় কঙ্কাল, এলাকার সদস্যকে খবর দিলে তিনি পুলিশকে খবর দেয়। এলাকার বাসিন্দা দিপঙ্কর নস্কর বলেন, এই এলাকায় ১০ বছর আগে দুটি মহিলা নিখোঁজ হয়ে যায়, তৎকালীন বাড়ির মালিককে আমাদের সন্দেহ হয়, তখন তাকে মারধরও করা হয়। ওই দুটি মেয়ে নিখোঁজের পিছনে রয়েছে বাড়ির মালিক সন্দেহে কিন্তু স্বীকার করেনি। পরে ওই পরিবার বাড়ি বিক্রি করে চলে যায়। আমাদের অনুমান ওই মহিলার কঙ্কাল এটি। নিখোঁজ হয়েছিলেন ২০১৩ শালে কৃষ্ণা সরদার ও ছায়া মন্দল। নিখোঁজ কৃষ্ণা সরদারের মা জানিয়েছেন ২০১৩ সালে দুর্গাপুজার বিসর্জনের দিন থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তার মেয়ে পুলিশে নিখোঁজ ডাইরি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, যে কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে সেটি তার মেয়ে কৃষ্ণার।

আরও পড়ুন:  RBI: গত কয়েক বছরে দেশে ২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ব্যাঙ্ক লুঠ, তথ্য RBI-এর

Featured article

%d bloggers like this: