22 C
Kolkata

নন্দীগ্রামে ভোট গণনায় গরমিল নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

নিজস্ব সংবাদদাতা : একুশের মহাসংগ্রামে নন্দীগ্রামে ছিল মহারণ। একদিকে ছিলেন তৃণণূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে তাঁরই এক সময়ের সেনাপতি শুভেন্দু অধিকারী। লড়াইয়ের শুরুতেই মমতাকে আধ লাখ ভোটে হারানোর হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। গোটা দেশের নজর ছিল সেই লড়াইয়ের দিকে। ২ মে ফল ঘোষণার দিন সকাল থেকে ছিল টানটান উত্তেজনা। প্রথমে জানা যায় নন্দীগ্রামে ১২০০ ভোটে জিতে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রিটার্নিং অফিসার ঘোষণা করেন, মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী । এরপরই ভোট গণনায় গরমিলের অভিযোগে সরব হন খোদ তৃণমূল নেত্রী। বুধবার বাংলার একটি ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম নির্বাচন কমিশনের এক্সক্লুসিভ নথি প্রকাশ্যে আনে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, রেয়াপাড়ার এসএন রায় স্কুলের বুথের ‘অ্যাকাউন্ট অব ভোটস রেকর্ডেড’-এ স্পষ্ট লেখা, মোট ভোটার সংখ্যা ৬৭৬ এবং ভোট পড়েছে ৭৯৯টি।

আরও পড়ুন:  Suvendu Adhikari: শুভেন্দু চাকরি দেবেন বলে টাকা নেননি! কুণালকে ' কয়লা ভাইপোর দালাল' বলে কটাক্ষ

এমন তথ্য থাকা সত্ত্বেও ফর্ম ১৭ সি-তে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন প্রিসাইডিং অফিসার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ফের সরব হয়েছেন শুভেন্দু। একটি ট্যুইট করে তিনি দাবি করেন, ‘মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। বরং রেয়াপাড়ার এস এন রায় স্কুলের বুথের ভোটার ৭৯৯ এবং ভোট পড়েছে ৬৭৬টি।’

যদিও বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব তৃণমূল৷ ইতিমধ্যে নন্দীগ্রামের রায়ের বিরোধিতা করে হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভোটের মুখে শুভেন্দু অধিকারীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলন করে একটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট প্রকাশ্যে এনেছিলেন তিনি। সেই সমস্ত নথি নিয়েই এবার হাইকোর্টে লড়াই চলছে তাঁর।

Featured article

%d bloggers like this: