34 C
Kolkata

কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের মুখে পড়ে মৃত্যু গৃহবধূর

নিজস্ব সংবাদদাতা : ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নিয়েছে সবকিছু। অভাবে পেট চলছিল না। পেটের তাগিদে স্বামীর সঙ্গে বেড়িয়ে পড়েছিলেন সুন্দরবনের অন্দরে কাঁকড়া ধরতে। কিন্তু জীবিত অবস্থায় আর ফিরতে পারলেন না তিনি। বাঘের হামলায় প্রাণ হারাতে হল বছর তিরিশের গৃহবধূ ভগবতী মণ্ডলকে।

গোসাবার সাতজেলিয়া চরঘেরি এলাকা থেকে ঝিলার জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন ভগবতী । সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী ও আরেক সঙ্গী। কাঁকড়া খুঁজতে খুঁজতে চলে যান খালের ভিতরের দিকে। তখনই বাঘের আক্রমণের মুখে পড়েন তিনি।

কোনওক্রমে আড়ালে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান ভগবতীর স্বামী ও ওই সঙ্গী। ততক্ষণে ভগবতীর শরীরে থাবা বসিয়েছে সুন্দরবনের বাঘ। তাঁর দেহটিকে বাঘের মুখ থেকে ছাড়িয়ে বাঘের নাগালের বাইরে নিয়ে যান বাকি দু’জন।

আরও পড়ুন:  Election Update: দুপুর ৩টে ভোটের দানের হার কত ? জানুন
আরও পড়ুন:  সুখবর ! বিদ্যুতের বিলে মিলতে পারে ছাড়

বাঘ সরাসরি মহিলার ঘাড়ে কামড় বসানোয় সেখানেই প্রাণহানি হয় তাঁর।এরপর ভগবতীর দেহ গ্রামে এনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গভীর জঙ্গলে শিকারে যাওয়ার জন্য এই মত্‍স্যজীবী দলটির কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না।

ইয়াসের প্রবল তাণ্ডবে ভেসে গিয়েছিল বাড়িঘর। বিকল্প আয়ের পথ না থাকায় সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। আসলে, এই এলাকার খাঁড়ির দিকে গভীর জঙ্গলই মূলত রয়্যাল বেঙ্গলের চারণক্ষেত্র।

একইসঙ্গে, খাঁড়ির জলে প্রচুর কাঁকড়াও মেলে। এসব এলাকায় মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু কাঁকড়া কিংবা অন্যান্য প্রাণী শিকারের আশায় হাঁটতে হাঁটতে কেউ কেউ এই ‘নিষিদ্ধ অঞ্চলে’ ঢুকে পড়েন। তাতেই এ ধরনের বিপর্যয় ঘটে।

Featured article