33 C
Kolkata

জল সরলেই অপেক্ষা করছে আন্ত্রিক, আশঙ্কায় সুন্দরবন

নিজস্ব সংবাদদাতা :: অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের তীব্র সংকট তো আছেই সেই সঙ্গে সুন্দরবনের আনাচকানাচে ঘনিয়ে আছে অন্য এক আশঙ্কা। চতুর্দিকের জলবন্দি অবস্থায় যেভাবে দ্রুত পচে যাচ্ছে জল, ভেসে উঠছে অসংখ্য মৃত মাছ, মুরগি, ছাগল- তাতে করে আমফানের ধাক্কা কোনও ভাবে সামলাতে পারলেও তার পরবর্তী মহামারী সামাল দেওয়া কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। অসংখ্য বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় যেভাবে জল ঢুকেছে, তাতে পান করার উপযুক্ত নেই একটি পুকুরের জলও। বহু দূরদূরান্তে মানুষ যাচ্ছেন একটু জলের জন্য। এবার সেই গুটিকয়েক পুকুরেও যদি জল ঢুকে যায়, মানুষ বাধ্য হয়ে এই জলই খাবে থিতিয়ে, ফুটিয়ে। তাই আন্ত্রিক দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে এলাকাজুড়ে।সুন্দরবনে পানীয় জলের সমস্যা প্রবল। তার উপর বহু প্রত্যন্ত এলাকায় এখনও ত্রাণ না পৌঁছনোয়, খিদের চোটে কিছু মানুষ মরা মাছ বা মুরগি খেয়ে ফেলতে পারেন, যা তাঁদের পক্ষে কার্যত বিষের সমান। তার উপর নেই ডাক্তার, নেই চিকিত্‍সা। ফলে আসন্ন আন্ত্রিক মহামারী নিয়ে প্রমাদ গুণছেন অনেকেই। পঞ্চায়েতের তরফে অবশ্য প্রচার ও সচেতনতা তৈরির চেষ্টায় কোনও ত্রুটি নেই। যতটা সম্ভব ব্লিচিং ও চুন বিলি করছেন তাঁরা। কিন্তু বলাই বাহুল্য, প্রয়োজনের তুলনায় তা একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। বারবারই এলাকাবাসীকে বলা হচ্ছে, নষ্ট না হওয়া পুকুর থেকে জল এনে তা ভাল করে ফুটিয়ে তবে খেতে, গবাদি পশুকে খাওয়াতে। প্রচার করা হচ্ছে, কোনও অসুবিধা বুঝলেই গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ওষুধ নিয়ে যেতে। আশাকর্মীরাও যতটা সম্ভব ঘুরছেন এলাকায় এলাকায়। জল পরিষ্কার করছেন অসংখ্য পঞ্চায়েতকর্মী।

আরও পড়ুন:  Malda: বিয়ের আগেই চরম পরিণতি যুবকের

Featured article