24 C
Kolkata

EXCLUSIVE ABDUL MANNAN: ‘মমতার এতো ক্ষমতা তো উত্তরপ্রদেশে প্রার্থী দিক’

শ্রাবণী পাল: দেশের ৫ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের শুরু হচ্ছে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন দিয়েই। ৭ দফায় চলবে এই ভোটগ্রহণ। অল্প অল্প করে নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে এনেছে কংগ্রেস, এবার হল বিস্ফোরণ! শুক্রবার কর্মসংস্থানের পরিকল্পনার রূপরেখা সংক্রান্ত ইস্তাহার প্রকাশের কর্মসূচি ছিল কংগ্রেসের। সেই কর্মসূচিতেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে প্রশ্ন করা হল, ‘উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কি আপনি?’ সেই প্রশ্নের উত্তরেই জল্পনা উস্কে দিয়েছেন তিনি। প্রিয়াঙ্কা উত্তরে বলেন, ”আর কি অন্য কোনও মুখ দেখতে পাচ্ছেন?” এই উত্তরের পরই কার্যত স্পষ্ট হয়ে যায় কংগ্রেসের চমক। কংগ্রেসের জন্যে কতোটা আশা যোগাচ্ছে এই সিদ্ধান্ত, তা জানতে Keyখরবর কথা বলল কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান-এর সঙ্গে।

প্র: কংগ্রেসের জন্যে কতোটা হেভিওয়েট হতে চলেছে এই সিদ্ধান্ত?
উ: প্রিয়াঙ্কা নিজে তো নিজের নাম ঘোষণা করেননি। উত্তরপ্রদেশের অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদিকা উনি। সোনিয়া গান্ধির সঙ্গে আলোচনার পরই দলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের কাছে নেহরু পরিবার অমূল্য সম্পদ। দল একদমই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বি.আর.আম্বেদকর, নেতাজি, মহাত্মা গান্ধি এঁরা সকলেই আমাদের দলের সম্পদ। নেহরু পরিবার যেভাবে কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তাতে উত্তরপ্রদেশের মানুষও নতুন দিশা খুঁজে পাবেন। আমাদের ধর্মের লড়াই নেই। হিন্দু, মুসলমান, শিখ, খ্রিস্টান সকলকে নিয়েই আমরা চলি। হিন্দুদের মধ্যে যেমন যাঁরা দলিত তাঁরা আছেন আবার আদিবাসী যাঁরা তাঁরাও আমাদের উপর নির্ভরশীল। মানুষেরও বিশ্বাস যে আমরা সবাইকে নিয়ে চলতে পারি। তাই প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে প্রজেক্ট করার সিদ্ধান্ত একদমই সঠিক হয়েছে। অনেক শুভেচ্ছা রইলো, তাঁর সাফল্য কামনা করি।

আরও পড়ুন:  Exam Paper Leaked : ডিএলএডের প্রশ্নপত্র ‘ফাঁস’ ! 'বিট্রেয়াল' করা হয়েছে বললেন গৌতম পাল

প্র: উত্তরপ্রদেশে মমতার অখিলেশের হাত ধরা কতোটা গুরুত্ব দিতে পারে?
উ: ওঁকে নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। উনি পাগলের মতো কখন কি বলেন জানেন না। পাঁচ-দশ বছরের ইতিহাস ঘেঁটে দেখুন তো, পাগলের প্রলাপ বকেছেন উনি। একবার মমতা বলছেন কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাবেন, আবার বলছেন ওঁদের থেকে কি আমরা সাম্প্রদায়িকতা বিধি শিখব! ওঁর যখন যেমন তখন তেমন। ওঁকে নিয়ে আমরা রাজনীতিই করি না। উন্মাদের রাজনীতি করেন উনি। মিডিয়ার প্রোডাক্ট হয়ে গেছেন আর কি। নির্বাচন তো লোক দেখানো। দিনহাটায় ৫৬ ভোটে হারলো আর ১ মাসের মধ্যে উপনির্বাচনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ভোটে জিতেও গেলো। ভোট কেমন হয়েছে জনগণ সবই বুঝতে পেরেছে। ওঁর সম্পর্কে কথা বলতে গেলে খুব লজ্জা লাগে নিজের। যাঁদের কিছুই নেই তাঁরা ওঁর উপর নির্ভরশীল।

আরও পড়ুন:  বারাকপুরের মঙ্গল

প্র: উত্তরপ্রদেশ নিয়ে কংগ্রেস আশাবাদী তো?
উ: অবশ্যই আমরা আশাবাদী। মমতার এতোই যদি ক্ষমতা তবে উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে প্রার্থী দিক না। অখিলেশও তো দেখি বলে না যে হ্যাঁ আমি আপনাদের দুটো আসন ছাড়বো। মমতা নিজেই আগ বাড়িয়ে মমতা নিজে গেছেন ওখানে। যাঁকে তিনি দূত হিসেবে পাঠিয়েছেন সেই লোকটা কতগুলো দল করেছে তার ঠিক আছে? জনতা পার্টি করেছেন, তিনি শেষ দিন পর্যন্ত বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে কথ বলে যোগদান করল মন্ত্রী হয়ে গেল। যে মানুষটা আজ একটা দল করছে কাল আর একটা দল করছে তাঁর কথায় কী বিশ্বাস করবেন?

Featured article

%d bloggers like this: